চৌহালীতে প্রতিবন্ধি শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম।
- Update Time : ১০:৫৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৩৬৬ Time View


চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি।
যমুনা বিধৌত সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধি শিক্ষক দিয়ে চলছে দাপ্তরিক ও পাঠদান দেখা নেই কেউ। উপজেলার চরপাচুরিয়া মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে সব শ্রেনী মিলিয়ে মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও, বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন ১০ জন শিক্ষক। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষা অচল কুচক্র মহল প্রতিষ্ঠানের দিকে না তাকিয়ে ঝুঁকছে ক্ষমতা ও অর্থবানিজ্যের দিকে। এদিকে একইভাবে চলছে রেহাই পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের অধিকাংশ রুম ফাঁকা । হাজিরা খাতায় বেশি শিক্ষার্থীর নাম থাকলেও নিয়মিত আসে এই ৮জন।
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় হওয়ায় পাঠদানের প্রতি আগ্রহ কম। তারা সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন না। এরই ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।
চরপাচুরিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান , এখানে পড়াশোনা সঠিকভাবে হয় না। প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর একজন অসুস্থ শিক্ষকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এছাড়াও সে স্থানীয় হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করে না। ফলে শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থী দুটোই কমে যাচ্ছে।
তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিবেদক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইমারত হোসেন কে পাননি। পরে মুঠোফোনে আরেক শিক্ষকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে । বিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানান, ভবনের সমস্যা এবং স্কুলে নদীগর্ভে চলে যাওয়ার কারণে অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না। তবে আমরা আরেক চরে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করে ভ্রাম্যমাণভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছি সেখানে যথেষ্ট শিক্ষার্থী রয়েছে।
এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো: খালিদ মাহমুদ জানান,চরপাচুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চরম সংকটে রয়েছে বিষয়টি আমি নিজেও অবগত।
তবে বিদ্যালয়টির ভবন না থাকায় এবং চরাঞ্চল হওয়ায় এক চর থেকে আরেক চরে যাতায়াতের সমস্যা কারণে দিনদিন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষক অবসরে গেছেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষা অচল অসুস্থ (প্রতিবন্ধি) তাকে নিয়োগ দেয়া নিয়েও প্রশ্নের উত্তরে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
দীর্ঘ এক যুগ ধরে অচল অসুস্থ প্রতিবন্ধি প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে দাপ্তরিক ও পাঠদান। এ বিষয়ে উত্তর নেই উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোন্নাফ আলীর।

