সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা পরিষদ,১৩ বছর ধরে অবকাঠামো বঞ্চিত
- Update Time : ০৪:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২৩৩ Time View

মাহমুদুল হাসান (সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার)
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভাসমানের একযুগ পেরিয়ে গেছে। দীর্ঘ ১৩/১৪ বছরেও স্থান করে নিতে পারেনি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে, খাদ্য গুদাম, ডাক বাংলা, পশু হাসপাতাল, ডাক বিভাগ, যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিটিসি),কৃষি গুডাউন, কৃষি অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, সমাজসেবা, মৎস্য দপ্তরে, চৌহালী থানা কমপ্লেক্স, পল্লী উন্নয়ন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাব রেজিস্ট্রার অফিস, এলজিইডি ভবন, এজি অফিস,নির্বাচন অফিস, যুব উন্নয়ন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। ফলে আজও ভাসমান সরকারের দপ্তর গুলো।
এসব সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে বিভিন্ন শিক্ষা অঙ্গন ও ভাড়া বাড়িতে। নিজ নিজ দপ্তরহীন কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কষ্ট লাগামহীন। এছাড়াও দিয়ারা জরিপ যোগ্য মৌজায় খাজনা চালু না থাকায় রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। গত ২০১১-১২ অর্থবছরে যমুনা নদীর কড়াল গ্রাসে বিলিন হয়ে যায়- চৌহালী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, সেই থেকে ভাসমান উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক ও সকল স্থাপনা। সব কিছু মিলিয়ে সেই থেকে ভাল নেই চৌহালীর মানুষ।
নিজস্ব দপ্তর বিহীন পরিষদের সেবাগুলো দীঘদিন ধরে অস্থায়ী ভাবে চলছে কলেজ, মাদরাসা ও ভাড়া বাড়িতে। ফলে দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়ে নানা সংকটে স্ব-স্ব দপ্তর কর্তৃপক্ষ। টিটিসি, জনস্বাস্থ্য ও থানা কমপ্লেক্স প্রস্তাবিত জমিতে দ্রুত ভুমি অধিগ্রহণ, মাটি ভরাট এবং উপজেলা পরিষদ এর নিজস্ব জমির ওপর অবকাঠামো নির্মাণে দ্রুত টেন্ডার আহ্বান জরুরি হয়ে পরেছে। কোদালিয়া মৌজায় চৌহালী উপজেলা পরিষদ এর নিজস্ব জমির পাশেই গড়ে তোলা হোক টিটিসি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ভাসমান শব্দটি মুছে ফেলে আধুনিক উপজেলা গড়ে সরকারের সেবা জনগণের দৌড় গড়ায় পৌঁছে দিতে এবং ডিলারদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যায় ও কস্ট লাগবে দ্রুত দরকার “খাদ্য গুদাম, হাসপাতাল, থানা” সহ সকল স্থাপনা নির্মাণ। উপজেলা পরিষদ এর নিজস্ব জায়গা বালুর মাঠ নামে পরিচিত হলেও ব্যবহার করে আসছে ঠিকাদাররা। এবিষয়ে জনগন, জনপ্রতিনিধি, দপ্তর প্রধান, উপজেলা প্রশাসন ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎকার প্রয়োজন আছে বলে স্থানীয়রা মনে করছে না।


