বালুবাহী বল্কহেড চলাচলে যমুনা নদীর পুর্ব তীর রক্ষা বাধে ভাঙ্গন শুরু।
- Update Time : ০৫:৫২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৬ Time View


শাকিল আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)।
যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙন শুরু হয়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে।বালুবাহী বল্কহেড চলাচলের কারণে চৌহালী তীর রক্ষা বাধে
ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যমুনা নদীর তীর ও উপজেলা রক্ষার্থে বালুবাহি বল্কহেড চলাচল বন্ধ করার দাবিতে দফায় দফায় ভিক্ষোভ করে চলছে ভুক্তভোগী জনসাধারণ। নদীর পুর্ব তীরে বল্কহেড চলাচল করায় আতঙ্কে প্রায় ৪০০থেকে ৫০০ বাড়িঘর ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, হাট বাজার ও উপজেলা পরিষদ। ফলে ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের জন্য জেলা সদর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন।
তবে বর্তমান ভাঙ্গনের মূল কারণ যমুনা নদী দিয়ে রাতদিন বাল্বহেড দিয়ে বালি সরবরাহ করা।
এছাড়া তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে রেহাই পুখুরিয়া পশ্চিমপাড়া, মিটুয়ানী, চর বিনানই ও চর সলিমাবাদ ও খাষকাউলিয়া তীর রক্ষা বাধে। সবকিছু হারিয়ে যতটুকু আছে তা নিয়ে এবং স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ইউনিয়ন পরিষদ ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানিয়ে স্থানীয়রা প্রতিকার পেতে বিভিন্ন দপ্তরের দৌড়ঝাঁপ শুরু করছে। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ। এছাড়াও এলাকাবাসী ভাঙ্গন রোদে এবং বাল্বহেড যমুনা নদীতে চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার গণমাধ্যমকে জানান, বেশকিছু দিন যাবত যমুনার তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের মূল কারণ বালু মহলের শতশত বাল্কহেড বালু নিয়ে চলাচল।
চৌহালী থানা অফিসার ইনচার্জ মো, মতিউর রহমান বলেন, বল্কহেড হেকাতে জনতা যমুনার তীরে একত্রিত হয়, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বল্কহেড আর চলবেনা মর্মে জনতাকে আশ্বস্ত করা হয়।
সহকারী কমিশনার ভুমি মো, হাসিবুর রহমান বলেন, আমি যমুনা নদীর তীরে গিয়ে এলাকাবাসি ও বল্কহেড সহ জানমাল রক্ষার্থে



