
স্টাফ রিপোর্টার।
যমুনা নদীতে গোসলে নেমে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নিখোঁজ হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জন্মগতভাবে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন মোছা: কদভানু (৫৫) দুপুরে যমুনা নদীর তীর ধরে হাঁটছিলেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে তিনি নদীতে পড়ে ডুবে যান।
সিরাজগঞ্জের চৌহালীর যমুনা নদীতে পড়ে কদভানু নামে এক নারী নিখোঁজ হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে এখনও তল্লাশি চালাইনি বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ।
স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের জোতপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ কদভানু মানসিক ভারসাম্যহীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কদভানু জন্মগতভাবে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে যমুনা নদীর পাড় ধরে তিনি হাঁটছিলেন। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে তিনি নদীতে পড়ে ডুবে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাহায্য চেয়েছে।
কদভানুর ভাই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা পাশের বাড়িতে বসে ছিলাম। হঠাৎ শুনি আমাদের বোন নদীতে পড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজি করলাম। কিন্তু পাইনি।’
এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে এই বিষয় উপজেলা প্রশাসন ফায়ার সার্ভিস, নাগরপুরে সাথে ও টাংগাইলের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং তাদেরকে এই বিষয় উদ্ধারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি সদস্য না থাকায় তারা এখনো এই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। টাংগাইল ফায়ার সার্ভিস আগামী সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবে বলে উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছে।
এদিকে নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের ভুমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন স্থানীয়দের। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান দুপুরের ঘটনায় এখনো কোন ফায়ার সার্ভিসের কেউ আসিনি এবং কি তাদের সাথে যোগাযোগ করেও পাচ্ছিনা।
চৌহালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো: ফিরোজ উদ্দিন বলেন, ‘দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধারে কাজ করছে।
এই বিষয়ে নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালে তারা উদাসীন মন্তব্য করেছে এবং তাদের মধ্যে এই বিষয়ে কিছুটা উদাসীন ভাব পরিলক্ষিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।এছাড়াও রাতে যমুনা নদীতে অভিযান চালাতে অপরগতা প্রকাশ করেন যেটা স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।