1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. updatebangladesh0@gmail.com : আপডেট বাংলাদেশ : আপডেট বাংলাদেশ
সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর | আপডেট বাংলাদেশ ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে | আপডেট বাংলাদেশ সকল ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক | আপডেট বাংলাদেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ৯ ব্যাংক অফিসার পদে আবেদনে নতুন নিয়মে বিপাকে হাজারো চাকুরীপ্রত্যাশীরা | আপডেট বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদে ভাঙ্গন,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এ পি এম সুহেলের নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন | আপডেট বাংলাদেশ কুমিল্লায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, সন্ধায় মশাল মিছিল | আপডেট বাংলাদেশ রাঙ্গাবালীতে বহুল প্রতীক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন | আপডেট বাংলাদেশ বৈদ্যুতিক খুঁটি স্হাপনের কাজ শুরু, আনন্দিত রাঙ্গাবালির চরমোন্তাজবাসী | আপডেট বাংলাদেশ মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় জেলা প্রশাসক এস, এম, অজিয়র রহমান এর দিনভর কর্মসূচি | আপডেট বাংলাদেশ কুমিল্লায় দি ইনভিন্সিবল’র ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত | আপডেট বাংলাদেশ

ফেসবুক থেকে নেয়া

ছাত্র অধিকার পরিষদে ভাঙ্গন,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এ পি এম সুহেলের নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন | আপডেট বাংলাদেশ

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদ ভেঙে গেছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতা ভিপি নুর, মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন ও ফারুক হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে সংস্কারপন্থীরা নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নামে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন এই আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন আহবায়ক কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন এ পি এম সুহেল। তিনি আগে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।সুহেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করছে।

এপিএম সোহেলের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রীর সাথে নানান ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

এসময় এ পি এম সুহেল অভিযোগ করেন, নিজেদের সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য ছাড়া বাকিদের মতামত অগ্রাহ্য করে পরিষদকে স্বৈরতান্ত্রিক সংগঠনে পরিণত করা হয়েছে। সাধারণ ছাত্র অধিকারের জন্য এ সংগঠন গড়ে তুলে নুর ও তার সহযোগীরা রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করেছে বলেও তিনি অভিযোগ তুলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নুর, রাশেদ ও ফারুকের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের অর্থ, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় সংগ্রহ করা অর্থ এবং করোনার ত্রাণের অর্থ নিয়ে নয়ছয় করেছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা। এসময় আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগে এই তিনজনকে সংগঠন থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

‘ঢাবি সিন্ডিকেট’ ভাঙতে নুর-রাশেদদের বাদ দিয়ে আহবায়ক কমিটি!

এ পি এম সুহেল বলেন, ‘গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে সংগঠনের নাম সংক্ষিপ্ত করা হয়। এর বিরোধিতা করেছিলাম আমরা। ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাজনীতি করার অভিপ্রায়ে তাড়াহুড়ো করে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ ও প্রবাসী অধিকার পরিষদ নামে অঙ্গ সংগঠন তৈরি করা হয়। এসব সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অজানা আমাদের। ফলে সংগঠনেরচাপা ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়।’

তিনি বলেন, ‘একক সিদ্ধান্তে রাজনীতি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা একপ্রকার স্বৈরতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন কারণে তরুণদের রাজনীতি বিমুখতায় তারুণ্যনির্ভর এই দলের আত্মপ্রকাশ প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু গণমানুষের কথা বলে আবেগকে পুঁজি করে, মুখোশ পরে আছে ভয়ঙ্কর কিছু সত্য, সংগঠনের প্রায় সবাই জানে, কিন্তু প্রকাশ করে না।’

এসময় নতুন কমিটির সদস্য সচিব ও পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক, ইসমাইল সম্রাট বলেন, ‘এর ভয়াবহতা এতটাই প্রকট যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলাকে রাজনীতিকিকরণ করে ভিকটিমকে নোংরাভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, যেখানে সংগঠনের ৮০ ভাগ সহযোদ্ধা এ বিষয়ে জানে। এই মামলাটা তখনই রাজনৈতিক মামলা হতো, যদি সংগঠনের সবাই আগে থেকে না জানতো।’

এদিকে নুর রাশেদ ফারুক পন্থী নেতারা বলছেন তারা সবাই ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে বহিস্কৃত এবং নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় তারা সংগঠনের সাথে ছিলেন না।
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা তরুন সংগঠনটি আজ রাজনৈতিক ময়দানে অভিষেকের অপেক্ষায়,ঠিক এসময় সংগঠন এ অবস্থা সৃষ্টিতে আস্থার সংকট দেখা দিবে।খোজ নিয়ে জানা যায়, কোটা সংস্কার এর যুগ্ন আহবায়ক এ পি এম সুহেল একসময় সংগঠনের নিবেদিত প্রান ছিলেন।গত বছর ডাকসুতে নূরদের উপর হামলার সময় এ পি এম সুহেলকে ছাদ থেকে ফেলা হয়,কোন রকম তখন জীবনে বেঁচে যায় এ পি এম সুহেল।পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে ব্যবসা নিয়ে সংগঠনের কয়েকজনের সাথে দূরত্ব তৈরী হয়,সংগঠনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নূর,রাশেদ,ফারুকের সাথেও সুহেলের দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পায়।সুহেলের অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারি রয়েছে,এ বিষয়ে অভিযোগ করার জন্যই সুহেলকে বাদ দেওয়া হয়েছে।তাছাড়া আরও একটি অভিযোগ রয়েছে সেটা হলো সংগঠনে মুখে মুখে গণতন্ত্র বললেও ঢাবি সিন্ডিকেট দিয়ে তৈরী বলয় কাজ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন